Medical student rape case in Durgapur: Classmate arrested, total arrests rise to 6
দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে এবার গ্রেপ্তার হলেন তাঁর সহপাঠী। মঙ্গলবার বিকেলে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী জানিয়েছেন, সহপাঠীর ভূমিকা নিয়ে পুলিশের সন্দেহ আগেই তৈরি হয়েছিল। ঘটনার দিন ওই তরুণ যে পোশাক পরেছিলেন, তা ইতিমধ্যেই পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল। অবশেষে মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই নিয়ে মোট অভিযুক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত ৯টা নাগাদ ওই তরুণীর সঙ্গে হস্টেলের বাইরে বেরিয়েছিলেন তাঁর সহপাঠী। এরপর স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে টেনে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তরুণী যে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন, তাঁদের আগেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুরু থেকেই তরুণীর সহপাঠীর ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ ছিল তদন্তকারীদের, এবার সেই সন্দেহের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল।
এ দিন এক সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী বলেন, “টেকনিক্যাল প্রমাণ এবং নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, একজন অভিযুক্ত ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।” অন্যদের ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তবে এখনও ফরেন্সিক ও মেডিক্যাল রিপোর্ট পাওয়া যায়নি, সেগুলি এলে আরও স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে বলেও জানান কমিশনার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। গত শুক্রবার রাত ১টা ৫ মিনিটে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। রাত ৩টা ৩৮ মিনিটে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখ্য, নির্যাতিতা ওই ছাত্রী ওড়িশার বাসিন্দা। দুর্গাপুরের এই ঘটনার জেরে রাজ্য রাজনীতি গত কয়েক দিন ধরে তোলপাড়।

