‘Joy Bangla’ and counter-slogans of ‘Jai Shri Ram’, the BJP and Trinamool candidates submitted their nomination papers. On this matter, BJP candidate Chandrasekhar Bandyopadhyay stated…”
দুর্গাপুর পূর্ব, পশ্চিম এবং রানীগঞ্জে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনটি রাজনৈতিক উত্তেজনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভরপুর ছিল। “জয় বাংলা” এবং “জয় শ্রীরাম” স্লোগানের পাল্টা ধ্বনিতে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। তৃণমূল ও বিজেপি—দুই দলের প্রার্থীরাই এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন, আর সেই প্রক্রিয়াকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনকে যথেষ্ট চাপের মুখে পড়তে হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে এলাকাগুলি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। রাস্তাজুড়ে মিছিল, ব্যানার, পতাকা এবং স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল। এদিন সকালে দুর্গাপুর পূর্বের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী কবি দত্ত একসঙ্গে একটি বড় রোড শো করেন। হাজার হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে ঢাক-ঢোল, আবির ও দলীয় পতাকায় রঙিন হয়ে ওঠে শহরের রাস্তাঘাট। পরে তারা দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। গোটা ঘটনায় যেন এক ধরনের জনউৎসবের আবহ তৈরি হয়।
এর কিছু পরে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পশ্চিমের প্রার্থী লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুই তুলনামূলকভাবে ছোট মিছিল নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। যদিও তাদের সমর্থকের সংখ্যা কম ছিল, তবুও স্লোগান ও উদ্দীপনায় কোনো ঘাটতি ছিল না। বিজেপির পক্ষ থেকেও সংগঠনের শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা স্পষ্টভাবে নজরে পড়ে। অন্যদিকে রানীগঞ্জেও একই চিত্র দেখা যায়। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী কালো বরণ মণ্ডল এবং বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষ মনোনয়নপত্র জমা দেন। দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মুখোমুখি অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার জেরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে বাড়তি সতর্কতা নিতে হয়।
তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার ও কবি দত্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, “জিতবে বাংলা, জিতবে দুর্গাপুর। মানুষের আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে আছে। বিরোধীদের সমস্ত চক্রান্ত ব্যর্থ হবে, আর আমরা উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় ও লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুই পাল্টা বলেন, “‘জয় বাংলা’ আসলে বাংলাদেশের স্লোগান, তৃণমূল সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। আমাদের মিছিলেই মানুষের প্রকৃত সমর্থন স্পষ্ট।” সব মিলিয়ে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন দুর্গাপুর ও রানীগঞ্জ জুড়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, উত্তেজনা এবং শক্তি প্রদর্শনের এক তীব্র চিত্র সামনে আসে, যা আসন্ন নির্বাচনের লড়াইকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কি বললেন শুনে নেওয়া যাক -

